বাংলাদেশ যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল এর বিষয়ে জাতি সংঘের মতামত প্রসংগে-সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ডিফেন্স টিমের সংবাদ সম্মেলন-

18 Feb

বাংলাদেশ যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল এর বিষয়ে জাতি সংঘের মতামত প্রসংগে-সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ডিফেন্স টিমের সংবাদ সম্মেলন-

Barrister Abdur Razzaq, Senior Advocate of Bangladesh Supreme Court & Chief Defence Counsel, sitting next to him Barrister Rafiqul Islam Mian, President of Nationalist Lawyes’ Association and Advocate Tajul Islam, Defence Counsel Date: 15th February 2012.

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগন, আস্সালামু আলাইকুম। আমরা আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি কষ্ট করে এই সংবাদ সমে¥লনে আসার জন্য।

১। আমরা সবাই জানি যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩ এর অধীনে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এর সমালোচনা করে বলছে যে, এই আইন শুধু আন্তর্জাতিক মানদন্ড নয় বরং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুত মানদন্ডের অনেক নীচে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, আন্তর্জাতিক এন.জি.ও. সমূহ, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত এ্যাম্বাসেডর -এট-লার্জ এবং আন্তর্জাতিক অংগনে সুপরিচিত এবং স¦নামধন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞগন এর সমালোচনা করেছেন।

২। ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক বার এসোসিয়েশন (আই.বি.এ.), বিশ্বের বার এসোসিয়েশন ও ল’ সোসাইটি সমূহ এবং লিগ্যাল প্রাকটিশনারদের নেতৃস্থানীয় সংগঠন। আই.বি.এ. এর যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত কমিটির কাছে বৃটিশ পার্লামেন্টের মানবাধিকার সংক্রান্ত সংসদীয় গ্রুপের অনুরোধক্রমে আই.বি.এ. আন্তর্জাতিক মানদন্ডের সাথে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত আইন (আই.সি.টি.এ) ১৯৭৩ আন্তর্জাতিক মানদন্ডের সাথে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ সে ব্যাপারে একটি মতামত প্রদান করে। ২৯ ডিসে¤¦র ২০০৯ তারিখে প্রদত্ত এই মতামতে আই.বি.এ অভিযুক্তদের বিচারকালীন সময়ের অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। আই.বি.এ তার অভিমতে উল্লেখ করে যে, এই আইন বাংলাদেশ কর্তৃক স¦ীকৃত সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সনদ (আই.সি.সি.পি.আর.) এর ১৪ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন যা ট্রাইব্যুনালকে সমালোচনার মুখে ঠেলে দিয়েছে। উপসংহারে আই.বি.এ. এই আইনটির সংশোধনী আনয়নের জন্য ১৪ দফা সুপারিশ পেশ করেছিল যার একটিও বাংলাদেশ সরকার বাস্তবায়ন করেননি।

৩। নিউইয়র্ক ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ট্রানজিশনাল জাষ্টিজ (আইসিটিজে) ১৫ মার্চ, ২০১১ তারিখে বাংলাদেশের মাননীয় আইনমন্ত্রী বরাবরে লিখিত এক চিঠিতে ১৯৭৩ সালের আইনের সমালোচনা করে বাংলাদেশ সরকারকে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরন, নিবর্তন মূলক আটকের বিরূদ্ধে সূরক্ষা এবং সুযোগের সমতা ও মূলনীতির ভিত্তিতে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছিল ২১ মার্চ, ২০১১ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত এ্যা¤ে¦সেডর-এ্যাট-লার্জ ষ্টিফেন জে র‌্যাপ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় আইন মন্ত্রী বরাবর লিখিত চিঠিতে আন্তর্জাতিক মানদন্ডের আলোকে আইনটিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনয়ন, অপরাধের উপাদান সংজ্ঞায়িত করা, আসামীদের অধিকার সংরক্ষনের ব্যবস্থা করা, ট্রাইব্যুনালের অন্তবর্তীকালীন আদেশগুলোর বিরুদ্ধে আপীল শুনানীর জন্য ট্রাইব্যুনালের মধ্যে আপীল চে¤¦ারের ব্যবস্থা করা, জামিনের সুযোগ রাখা এবং বিদেশী আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ দানের আহবান জানিয়েছিলেন। ২১ জুন, ২০১১ তারিখে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত এক পত্রে অ্যামনেষ্টি ইন্টারন্যাশনাল অপরাধের সংজ্ঞায়নের অভাব, আন্তর্জাতিক আইনের সাথে অসামঞ্জস্যতা, আন্তর্জাতিক আইনে স¦ীকৃত ন্যায় বিচার প্রাপ্তি সংক্রান্ত অধিকার ও গ্যারান্টি সমূহের অনুপস্থিতি এবং সংবিধানের আলোকে আসামী পক্ষের প্রাপ্য মৌলিক অধিকারের অস¦ীকৃতির ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

 ৪। ২৭ জুলাই, ২০১১ তারিখে বৃটিশ হাউস অব লর্ডসের প্রভাবশালী সদস্য লর্ড এরিক এভবারির সাথে মাননীয় আইন মন্ত্রীর অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে লর্ড এভবারি আসামী পক্ষে বিদেশী আইনজীবি নিয়োগের সুযোগ দেয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের অস¦ীকৃতি, ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের ১৯৯২ সালের গণ তদন্ত কমিশনের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকা, বাংলাদেশের সংবিধান ও ১৯৭৩ সালের আইনের প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনয়নে ব্যর্থতার কারনে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ১৯ মে, ২০১১ তারিখে আমেরিকান সোসাইটি অব ইন্টারন্যাশনাল ল, (ASIL) এর উদ্যোগে আয়োজিত এক সেমিনার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

৫। পাশাপাশি ২১ ডিসে¤¦র ২০০৯ তারিখে ইংলিশ বারের একজন অত্যন্ত সুপরিচিত এবং প্রবীন আইনজীবি মাইকেল জে বেলফ, কিউসি তার এক বিস্তারিত অভিমতে ১৯৭৩ সালের আইনের কঠোর সমালোচনা করেছেন। একই ধরনের সমালোচনা করে ভারতের সাবেক এর্টনী জেনারেল এবং সিনিয়র এডভোকেট সোলী জে সোরাবজি ১৯ মে, ২০১০ তারিখে তার প্রদত্ত এক মতামতে এই আইনের সমালোচনা করেছেন। আয়ারল্যান্ড গ্যালওয়ে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মানবাধিকার আইনের প্রফেসর উইলিয়াম এ শাবাজ ২৪ মার্চ, ২০১০ তারিখ প্রদত্ত এক মতামতে একই ধরনের অভিমত পোষন করেন।

৬। এপ্রিল, ২০১১ তারিখে গ্রেগর গাই সি¥থ এবং মিস্ কোলিন রোহান এক যৌথ অভিমতে এই আইনটির সমালোচনা করেন। মিঃ গাই স্মিথ  আন্তর্জাতিক ভাবে সুপরিচিত একজন ফৌজদারী আইনজীবি, তিনি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল ট্রাইব্যুনাল ফর ফরমার যুগোশ্লাভিয়া (ICTY) ডিফেন্স আইনজীবি এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং বর্তমানে তিনি ওঈঞণ এর ডিফেন্স আইনজীবিদের এসোসিয়েশনের কো-প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মিস্ রোহানও একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ফৌজদারী আইনজীবি এবং তিনি ICC, ICTY এবং ICTR এর ডিফেন্স আইনজীবি হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল ল’ ব্যুরো এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

৭ । ১৩ অক্টোবর, ২০১০ মিঃ ষ্টিভেন কে কিউসি, যিনি সাবেক সার্ব প্রেসিডেন্ট সে­াভাদান মিলোশোভিচ এর পক্ষে ওঈঈ তে ডিফেন্স আইনজীবি হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন এবং ইংল্যান্ড ও ওয়েলস্ এর ক্রিমিনাল বার এসোসিয়েশনের সেক্রেটারী ছিলেন, এক বিস্তারিত অভিমতে ১৯৭৩ সালের আইনটি আন্তর্জাতিক মানদন্ডের অনেক নীচে অবস্থান করছে উল্লেখ করে এর সমালোচনা করেছিলেন। এছাড়াও দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেক আইনজীবি এ আইনটির সমালোচনা করেছেন। বাংলাদেশ সরকার বেপরোয়া হতে পারে না, এতোসব সমালোচনা সত্তে¦ও তারা বিচার প্রক্রিয়াকে পুরোদমে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন যা কোনভাবে গ্রহনযোগ্য হতে পারে না।

৮। এই প্রেক্ষাপটে ২৩ নভে¤¦র, ২০১১ তারিখে নিবর্তন মূলক আইন সংক্রান্ত জাতি সংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপ ১৯৭৩ সালের আইনটির ব্যাপারে তাদের মতামত দিয়েছেন এবং সাধারনভাবে এই আইন এবং বিচারের ষ্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন। জাতিসংঘ ওয়ার্কিং গ্রুপ অভিযুক্তদের আইনগত সহযোগীতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে এবং সাক্ষ্য প্রমান প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বাধা বিঘ্নহীন সুযোগ পাওয়ার ব্যাপারে “উল্লেখযোগ্য প্রতিবন্ধকতা” দেখতে পেয়েছে। জাতিসংঘ ওয়ার্কিং গ্রুপ মতামত ব্যক্ত করে বলেছে যে, বিচার পূর্ব আটকের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক বাধ্য বাধকতা মেনে চলতে হবে। তারা আরও অভিমত ব্যক্ত করে যে, ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া অবশ্যই আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে। ওয়ার্কিং গ্রুপ স¥রন করিয়ে দিয়েছে যে, বাংলাদেশ আই.সি.সি. এর রোম সংবিধি অনুমোদন করেছে যেখানে যুদ্ধাপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে একটি মডেল রয়েছে।

৯ । জাতিসংঘ ওয়ার্কিং গ্রুপ তার অভিমতে “সাজা প্রদানের পূর্বের আটকাদেশকে সাধারন নিয়ম নয় – বরং ব্যতিক্রম” হিসেবে বিবেচনার উপরে জোর দিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত ট্রাইবুনাল আন্তর্জাতিক আইনের স¦তঃসিদ্ধ এবং সুপ্রতিষ্ঠিত এই মূলনীতিকে ক্রমাগত লংঘন করে চলেছে। ট্রাইবুনাল ৮ জন আসামীর মধ্যে ৬ জনকে ১ বছরের অধিক কাল ধরে তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ গঠন ছাড়াই আটক রেখেছে। যদিও এই আটককৃতদের কেউই তাদের প্রেপ্তারের পূর্বে পলায়নের কোন মনোবৃত্তি প্রদর্শন করেননি কিংবা সাক্ষ্য প্রমান পরিবর্তন বা নষ্ট করার চেষ্টা করেননি। কোন আইনগত যুক্তি প্রদর্শন ব্যতিরেকেই তাদেরকে আটক রেখেছে। জাতিসংঘ ওয়ার্কিং গ্রুপ যেমনটি উল্লেখ করেছেন যে, এটা সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষনার (UDHR) এর ৯ অনুচ্ছেদ এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সনদ (ICCPR) এর ৯ অনুচ্ছেদের লংঘন। জাতিসংঘ ওয়ার্কিং গ্রুপ আরও উল্লেখ করেছে যে, সরকার আসামীদেরকে জামিনে মুক্তি না দেয়ার ক্ষেত্রে কি যুক্তি আছে সে সংক্রান্ত কোন তথ্য প্রদান করতে পারেনি। সে কারনে জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপ এই উপসংহারে পৌঁছেছেন যে, ট্রাইবুনাল কর্তৃক আটককৃতদের ব্যক্তি স¦াধীনতা হরন নিবর্তন মূলক এবং তা জাতিসংঘের সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সনদের লংঘন এবং তারা আন্তর্জাতিক আইনের যথাযথ প্রতিপালন নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

 ১০ । আমরা সুপ্রীমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবীবৃন্দ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের ডিফেন্স টীমের সদস্যবৃন্দ জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপের এই অভিমত বাস—বায়ন করার ক্ষেত্রে সরকারের অনাকাঙ্খিত আচরনকে গভীর শঙ্কার সাথে পর্যবেক্ষণ করছি। সরকারের মনে রাখা উচিৎ যে জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপের ওই অভিমত আন্তর্জাতিক আইনের একটি সংকলন। এটা দুঃখজনক যে আন্তর্জাতিক আইনে ট্রাইবুনালের প্রথম স¦ীকৃতি নেতিবাচক। এটা আরও দুঃখজনক যে বাংলাদেশের ট্রাইবুনাল নির্বতন মূলক আটকের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইনাঙ্গনে একটি খারাপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকছে।

১০। আমরা আশা করি সরকার আন্তর্জাতিক আইনের সকল স¦ীকৃত রীতিনীতি অনুসরন করে এই পরি¯িহতির পরিবর্তন আনবেন এবং সে কারনে আমরা জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপের অভিমত অবিলমে¦ বাস—বায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। জাতিসংঘ ওয়ার্কিং গ্রুপ সুনির্দিষ্টভাবে নিম্নরূপ মন্তব্য করেছে ঃ

 “সর্বজনাব মতিউর রহমান নিজামী, আঃ কাদের মোল্লা, মোহাম্মাদ কামরুজ্জামান, আলী আহসান মোহাম¥দ মুজাহিদ, আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাইদী এবং সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী এর আটকাদেশ নিবর্তন মূলক যা স¦ার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষনা এর ৯ অনুচ্ছেদ এবং আই.সি.সি.পি. আর এর ৯ অনুচ্ছেদের লংঘন।” 

 ১২ । আমরা আশা করি সরকার আন্তর্জাতিক আইনের সকল স¦ীকৃত রীতিনীতি অনুসরন করে এই পরি¯িহতির পরিবর্তন আনবেন এবং সে কারনে আমরা জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপের অভিমত অবিলমে¦ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।

প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা আপনাদেরকে আবারো অশেষ ধন্যবাদ।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: