Archive | November, 2011

hy³iv‡óªi hy×vciva welqK ivóª`~Z w÷‡db †R. i¨v‡ci e³e¨

30 Nov

 

 


Embassy of the United States of America

Public Affairs Section

Tel: 880-2-885-55-00

Fax: 880-2-9881677, 9885688

E-mail: DhakaPA@state.gov    

Website: http://dhaka.usembassy.gov

 

hy³iv‡óªi hy×vciva welqK
ivóª`~Z w÷‡db †R. i¨v‡ci e³e¨

 

†cÖm Kbdv‡iÝ

XvKv wi‡cvU©vm©Õ BDwbwU

28‡k b‡f¤^i, 2011

 

 

XvKv, 28†k b‡f¤^i — mdiiZ hy³iv‡óªi hy×vciva welqK ivóª`~Z w÷‡db †R i¨vc AvR, †mvgevi, 28†k b‡f¤^i XvKvq GK msev` m‡¤§j‡b wb‡¤§v³ e³e¨ cÖ`vb K‡ib|

(e³…Zv ïi”)

Avcbv‡`i AvšÍR©vwZK hy×vciva UªvBey¨bvj m¤ú‡K© Rvb‡Z Ges †h wePviKvR ïi” n‡q‡Q Zvi wbi‡c¶Zv I ¯^”QZv wbwðZ Ki‡Z KiYxq wel‡q gZvgZ Rvbv‡Z evsjv‡`‡k GwU G eQ‡i Avgvi Z”Zxq mdi|

1971 mv‡j Kx ai‡bi RNb¨ Aciva GLv‡b msNwUZ n‡qwQj †m wel‡q Avgvi aviYv i‡q‡Q| Avwg Rvwb †m mgq nvRvi nvRvi fy³‡fvMx‡K nZ¨v Kiv n‡q‡Q wKsev Zviv awl©Z n‡q‡Qb, Kx hš¿Yvi wfZi w`‡q Zviv w`bvwZcvZ K‡i‡Qb Ges KZ evwoNi I m¤úwË aŸsm n‡q‡Q| G ai‡bi Aciv‡ai fy³‡fvMx‡`i wePvi cvIqvi AwaKvi i‡q‡Q Ges hviv G ai‡bi Aciv‡ai Rb¨ Awfhy³ n‡q‡Qb Zv‡`iI AwaKvi i‡q‡Q Zv‡`i wei”‡× cÖgvYvw`i h_v_©Zv hvPvB Kivi Ges wb‡R‡`i c‡¶ mv¶¨-cÖgvY nvwRi Kievi| hviv wb‡`©vl, G cÖwµqvq Zv‡`i wbivcivaZv cÖgvwYZ nIqv DwPZ Ges Zv‡`i‡K gyw³ †`qv DwPZ| Avi hviv G ai‡bi Aciv‡ai Rb¨ `vqx Zv‡`i‡K †`vlx mve¨¯Í K‡i kvw¯Í cÖ`vb Kiv DwPr| evsjv‡`‡k, G AÂj Ges wek¦e¨vcx GB wePv‡ii HwZnvwmK ¸i”Z¡ we‡ePbvq, Ggbfv‡e GB wePviKvh© cwiPvjbv Kiv DwPZ hv‡Z Zv ¯^”Q nq Ges mevi Rb¨ Db¥y³ _v‡K|

GB wePvi cÖwµqvi wbi‡c¶Zv I ¯^”QZv wbwðZ Ki‡Z MZ gvP© gv‡m Avwg GB wePviKv‡Ri avivmg~‡ni ms‡kvabxi Rb¨ wKQy cÖ¯Íve †i‡LwQjvg| Gme cÖ¯Ívebvi wKQy Ryb gv‡m M”nxZ ms‡kvabx‡Z AšÍf©y³ Kiv n‡q‡Q| Z‡e Avwg `yt‡Li mv‡_ ej‡Z PvB †h G¸‡jvi ga¨ †_‡K Av‡iv A‡bK¸‡jv welq †hvM Kiv m¤¢e wQj|

MZ mßv‡n wePvi cÖwµqvi cÖviw¤¢K e³‡e¨i gva¨‡g GLb cÖ_g wePvi KvR ïi” n‡q‡Q Ges AvMvgx 7B wW‡m¤^i †_‡K Gi mv¶¨ MÖnY ïi” n‡e|

Avgvi eZ©gvb md‡ii g~j D‡Ïk¨ n‡jv AvšÍR©vwZK hy×vciva UªvBeybvj wKfv‡e GB wePviKvR cwiPvjbv Ki‡e Zv Rvbv| mswewa I aviv¸‡jv ˆZix Kiv Av‡Q; GLb cÖkœ n‡”Q Kxfv‡e I¸‡jv ev¯Í‡e cÖ‡qvM Kiv n‡e| GB HwZnvwmK wePvi cÖwµqvi Rb¨ b¨vq wePvi wbwðZ Kiv Ges Zv Ki‡Z †`Lvi GL‡bv A‡bK wKQyB Kivi evwK i‡q‡Q|

    cÖ_gZ, GUv ¸i”Z¡c~Y© †h wePviK‡`i cÖ_g my‡hv‡MB ÒgvbeZvi wei”‡× AcivaÓ welqwU msÁvwqZ Kiv DwPZ| ÒgvbeZvi wei”‡× AcivaÓ — welqwU AvšÍR©vwZK Av`vj‡Zi mswewa I wewfbœ gvgjvi gva¨‡g msÁvwqZ Kiv n‡q‡Q| wKš’ evsjv‡`‡k G welqwU GL‡bv †Kv‡bv msÁvq †djv nqwb| cÖ_g gvgjvi Awf‡hvM MVb cÖwµqvq wePviKiv e‡jwQ‡jb †h Zviv evsjv‡`‡ki AvBb Abyhvqx GB mswewa cÖ‡qvM Ki‡eb Ges AvšÍR©vwZK UªvBey¨bv‡ji wewfbœ wm×v‡šÍi ga¨ w`‡q Zviv w`K wb‡`©kbv †LuvRvi †Póv Ki‡eb| Z‡e, Awfhy³ nZ¨v I al©Y¸‡jv wK GKwU bvMwiK †Mvôxi we¯—…Z I cÖwµqvMZ Avµg‡Yi Ask wn‡m‡e Kiv n‡qwQ‡jv, bvwK †m¸‡jv †Kv‡bv eY©ev`, ag©ev` wKsev ivR‰bwZK D‡Ï‡k¨i Kvi‡Y Kiv n‡qwQ‡jv bvwK Avevi Awfhy³ Avmvgx‡`i GB wekvj AvµgY m¤^‡Ü †Kv‡bv Z_¨ ev Ávb _vKvi cÖ‡qvRb wQ‡jv wK bv, G¸‡jvi g‡a¨ †Kvb welqwU wePvi cÖwµqvq cÖgvY Ki‡Z n‡e †m welqwUI cwi®‹vi bq| msNwUZ Aciva mswk­ó †hme welq¸‡jv cÖgvY Ki‡Z n‡e †m¸‡jv Ab¨vb¨ Av`vj‡Z wePviKiv c~e©eZ©x iv‡qi gva¨‡g wba©viY K‡i‡Qb| GLv‡bI GKBfv‡e KvRwU Kiv †h‡Z cv‡i|

    wØZxqZ, Ab¨vb¨ gvivZ¥K Aciv‡a Av‡ivwcZ evsjv‡`kx bvMwiKMY †hme AwaKvi wbwðZfv‡e Dc‡fvM Ki‡e, GB Awfhy³‡`iI †mB AwaKvi¸‡jv PP©vi my‡hvM †`qvUv ¸i”Z¡c~Y©| evsjv‡`‡ki msweavb I AvBb G wel‡q m¤§wZ Rvbvq †h GUv GKwU we‡kl Av`vjZ hv wbR¯^ aviv I cÖwµqvmg~‡ni Rb¨ wb‡RB `vqx| wePviKiv aviv¸‡jvi ms¯‹vi K‡i ÔAwfhy³‡`i †`vlx mve¨¯Í nIqvi Av‡M wb‡`©vl wn‡m‡e we‡ewPZ nIqvÔ Ges Ôhyw³m½Z wØav-m‡›`‡ni D‡aŸ© cÖgvYÕ aviYv¸‡jv ms‡hvRb K‡i‡Qb| GKBm‡½, GB wePviKvR †hb Ggbfv‡e cwiPvwjZ nq hv‡Z Awfhy³iv Zv‡`i AvBbRxex‡`i m‡½ civgk© Kivi mgAwaKvi, wb‡Ri i¶v‡_© gvgjv cÖ¯’wZi Rb¨ mgcwigvY mgq I `¶Zv Ges Ab¨vb¨ gvgjvi †¶‡Î †hgb n‡Zv wVK †Zgwbfv‡e GB cÖwµqv‡KI P¨v‡jÄ Kivi g‡Zv mgq I `¶Zv Dc‡fvM I e¨env‡ii my‡hvM cvq †m welqUvI wbwðZ KivUv ¸i”Z¡c~Y©|

    Z…ZxqZ, avivmg~n ms¯‹v‡ii gva¨‡g mv¶x‡`i wbivcËvi my‡hvM n‡jI GUv ¸i”Z¡c~Y© †h Ggb GKwU mv¶x wbivcËv cÖwµqv M‡o Zzj‡Z n‡e hv Dfqc¶ e¨env‡ii my‡hvM cvq| cÖ_g wePvi cÖwµqvq mv¶x‡`i bv‡gi ZvwjKv BwZg‡a¨ wjwce× Kiv n‡q‡Q| weev`x‡KI 7B wW‡m¤^‡ii g‡a¨ mv¶x‡`i GKwU ZvwjKv Aek¨B Rgv w`‡Z n‡e| mv¶x wbivcËv e¨e¯’vq M”nxZ c`‡¶c¸‡jv Ggbfv‡e Kvh©Ki Ki‡Z n‡e hv‡Z hviv GwM‡q G‡m mZ¨ K_v ej‡Z Pvq Zviv †hb †Kv‡bv ûgwK I fq-fxwZi wkKvi bv nq|

    me©‡kl Ges mePvB‡Z ¸i”Z¡c~Y© †h welq Zv n‡jv — GB wePvi cÖwµqvq wK NU‡Q Zv mevB‡K Rvbv‡Z n‡e| mvaviY RbM‡Yi c‡¶ GB Av`vj‡Zi Awa‡ek‡b †hvM †`qv mnR I m¤¢e bq| Av`k©ZMfv‡e, mePvB‡Z fv‡jv n‡Zv hw` GB wePvi cÖwµqvi Awa‡ekbmg~n †Uwjwfkb ev †iwWI-†Z mivmwi m¤cÖPvi Kiv n‡Zv| A_ev mßvwnK cÖwZ‡e`b cÖPvi Kiv n‡Zv †hLv‡b g~j mv¶¨, hy³ZK©, Ges i”wjs †`Lv‡bv n‡Zv| 1970-Gi `k‡K K¨v‡¤^vwWqvq hy× PjvKv‡j msNwUZ wbôziZvi Rb¨ hviv `vqx e‡j hviv Awfhy³ n‡q‡Qb, eZ©gv‡b †m †`kwU‡Z hy×vcivax wePviKv‡R GB cÖwµqv Aej¤^b Kiv n‡”Q| evsjv‡`‡k hw` Zv m¤¢e bv nq, Zvn‡j wbi‡c¶ ch©‡e¶K‡`i‡K GB wePvi cÖwµqv AbymiY Kivi Aby‡gv`b †`qv DwPZ hv‡Z K‡i Zviv cÖvZ¨wnK I mvßvwnK cÖwZ‡e`b ˆZwi Ki‡Z cv‡ib hv B›Uvi‡bU I Ab¨vb¨ msev` gva¨g Øviv mevi Kv‡Q †cuŠQv‡Z cv‡i|

GB b”ksm Aciv‡ai hviv wkKvi n‡qwQ‡jb, Zv‡`i Kv‡Q GB wePvi cÖwµqv AZ¨šÍ ¸i”Z¡c~Y©| GBLv‡b hv NU‡e, we‡k¦i me©Î hviv Gai‡bi Aciv‡ai mv‡_ RwoZ Zv‡`i Rb¨ GwU GB evZ©v †cuŠ‡Q †`‡e †h Gai‡bi Aciv‡ai Rb¨ hviv `vqx — GKwU ivóª e¨e¯’vi c‡¶ m¤¢e Zv‡`i wePv‡ii e¨e¯’v Kiv|

Avwg GLv‡b G‡mwQ KviY hy³iv‡óªi RbMY GUv wbwðZ Ki‡Z Pvq †h GB wePvi cÖwµqvwU ¯^”Q I wbwðZ n‡”Q| GB HwZnvwmK wePvi cÖwµqv b¨vq wePvi AR©‡bi Rb¨ GB cÖwµqv m‡½ hviv RwoZ Zv‡`i mK‡ji mv‡_B Avgiv KvR Kiv Ae¨vnZ ivL‡ev|

==================

 

 

* e³…Zvi Rb¨ cÖ¯’ZK…Z

 

 

 

wRAvi/2011

Advertisements

Rapp statement

30 Nov

Here is the official English and bangla statement.

Ambassador Rapp Speech in Press Conference, Nov 28 (Bangla).doc

Ambassador Rapp Speech in Press Conference, Nov 28 (English).doc

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সা. কাদের চৌধুরী : আমি রাজাকার নই, আজরাইলের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই

30 Nov

http://www.amardeshonline.com/pages/details/2011/11/30/120164

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সা. কাদের চৌধুরী : আমি রাজাকার নই, আজরাইলের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই

মানবতাবিরোধী অপরাধের কথিত অভিযোগে আটক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী গতকাল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বলেছেন, মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ধরে নিয়ে গিয়েছিল। তার গায়ে একটি আঁচড়ও তারা দেয়নি। আমি ৩২ বছর ধরে সংসদ সদস্য। আমার গায়ে হাত দেয়ার স্পর্ধা বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোথায় পেল? তিনি ট্রাইব্যুনালকে উদ্দেশ করে বলেন, আমাকে আজরাইলের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। ‘আমি রাজাকার নই, কোথাও আমার নাম ছিল না। মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীন হঠাত্ ক্ষমতায় এসে আমাকে যুদ্ধাপরাধী বানিয়ে দিল। ফজলুল কাদের চৌধুরীর ছেলে হওয়ার কারণে আমি আজ ধরা খেয়েছি। তিনি আরও বলেন, আমার ফাঁসিও হতে পারে।
কিন্তু আমি কিছু প্রশ্ন উত্থাপন করছি। যদি ট্রাইব্যুনালের রায়ে এসব প্রশ্নের জবাব পাই তবে সন্তুষ্টি নিয়ে মরতে পারব। তিনি আরও বলেন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর ৭ (ক) অনুযায়ী কেউ যদি সংবিধান লঙ্ঘন করে অথবা সংবিধানের প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট করার উদ্যোগ নেয় তবে তিনি রাষ্ট্রদ্রোহিতার জন্য দোষী হবেন। তিনি বলেন, এটি আন্তর্জাতিক আদালত। কিন্তু আপনার সামনে একটি মাইক্রোফোন ছাড়া আর কিছুই আন্তর্জাতিক মানের দেখতে পাচ্ছি না।
গতকাল সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে ওই মামলা স্থগিত চেয়ে আবেদনের শুনানিকালে এসব কথা বলেন। শুনানি আজ বুধবার পর্যন্ত স্থগিত করেছে ট্রাইব্যুনাল।
গতকাল বেলা ১১টা ১০ মিনিটে এ আবেদনের শুনানি শুরু হয়। এর আগে সকাল সাড়ে দশটায় সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে একটি প্রিজনভ্যানে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। গত ২৪ নভেম্বর এ পিটিশন দাখিল করেন তিনি। গতকাল এর শুনানির তারিখ নির্ধারিত ছিল। এদিকে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী নিজেই আবেদনের শুনানিতে অংশ নেন। সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রথমে ৫৬ দফা পিটিশন পড়ে শোনান। এরপর আধঘণ্টার বেশি তিনি বক্তব্য দেন। সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনি সফলভাবে আমার আইনজীবীদের তাড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের একজনের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়েছে। তিনি জামিন নিতে গেছেন। আমি নিজেই শুনানি করব। তখন ট্রাইব্যুনাল বলেন, আমরা কিভাবে আপনার আইনজীবীদের তাড়িয়ে দিয়েছি? জবাবে সালাহউদ্দিন কাদের বলেন, আপনি আমার ৩৫ জন আইনজীবীকে ট্রাইব্যুনালে প্রবেশ করতে দেননি। তখন ট্রাইব্যুনাল বলেন, আমরা তো বলেই দিয়েছি ১০ জনের বেশি প্রবেশ করতে পারবেন না। জবাবে সালাহউদ্দিন কাদের বলেন, কোন আইন বলে আপনি এটা করেছেন। ওই সময় ট্রাইব্যুনাল এ সংক্রান্ত রুলস দেখান। তখন তিনি বলেন, আইন লঙ্ঘন করে কোনো রুলস হতে পারে না। হাত-পা বেধে সাঁতার কাটা যায় না। তখন ট্রাইব্যুনাল বলেন, মি. চৌধুরী, এটা কোনো ফানি প্লেস না। এটা আদালত। সালাহউদ্দিন কাদের দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমি আপনাদের শুভাকাঙ্ক্ষী। আপনাদের বিরুদ্ধে আমার কোনো অভিযোগ নেই। আপনাদের দু’জন হাইকোর্টের বিচারপতি। আরেকজন হাইকোর্টের বিচারপতি হওয়ার যোগ্য। আপনাদের প্রতি আমি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। এ সময় আদালতের কাছে এ শুনানিতে ড. কামাল হোসেনের মতো অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগেরও দাবি জানান তিনি। একপর্যায়ে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী আদালতে বলেন, আমার বক্তব্য রেকর্ড হচ্ছে কিনা? চেয়ারম্যান বলেন, ‘না, এখনও হচ্ছে না’। তখন সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, এটি আন্তর্জাতিক আদালত। কিন্তু আপনার সামনে একটি মাইক্রোফোন ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। বিবিসির খবরে শুনেছি, একজন প্রশ্ন তুলেছে, এই ট্রাইব্যুনাল কোনো আদালত কিনা। এরপর তিনি বলেন, এটি যদি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ আদালত হয়ে থাকে তাহলে দেশের অন্যান্য বিচারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কার্যপ্রণালী বিধি মানতে হবে।
তিনি চেয়ারম্যানকে লক্ষ্য করে বলেন, ‘স্যার, আজকের পত্রিকায় দেখলাম, ১৯৯৪ সালে গণআদালতের গণতদন্ত কমিশন সেক্রেটারিয়েটে আপনার নাম ছিল। কিন্তু রাজাকার, আল-বদর, আল-শামসসহ পাকিস্তানের কোনো সশস্ত্রবাহিনী বা সহায়ক বাহিনীতে আমার নাম ছিল না। তবে একটি জায়গায় আমি ধরা খেয়ে গেছি। ওই যে পিতার কোলে আমার জন্ম হয়েছে, যিনি আমার জন্মের পর খাসি দিয়ে আমার আকিকা করেছিলেন, ওইখানেই আমি ধরা খেয়েছি। নতুবা আমার চাচাতো বোনের (শেখ হাসিনা) সঙ্গে আমার কোনো শত্রুতা ছিল না। অথচ মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীন হঠাত্ ক্ষমতায় এসে আমাকে যুদ্ধাপরাধী বানিয়ে দিল। ‘আমি রাজাকার নই, কোথাও আমার নাম ছিল না।’
তিনি বলেন, হাইকোর্টের বিচারকদের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে। তারা যেখানেই যান সেখানেই তাদের এ ক্ষমতা থাকে। অতীতে সিলেট রেলওয়ে স্টেশনে একজন বিচারপতি আদালত বসিয়েছিলেন। গাড়িতে পতাকা দেখার পরও স্যালুট না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননা রুল হয়েছিল। এতে প্রমাণ হয় অন্তর্নিহিত ক্ষমতা সবখানেই প্রয়োগ করা যায়। তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালে সংবিধানে ৪৭ অনুচ্ছেদ সংযুক্ত হয়েছিল। ওই বছরই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন পাস হয়েছিল। ওই আইন পাসের প্রায় ৩৬ বছর পর ২০০৯ সালে আইনের সংশোধন হয়। এতে ব্যক্তি ও ব্যক্তিবর্গ শব্দ সংযুক্ত হয়। এ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৫ কোটি মানুষের মানবাধিকার খর্ব করা হয়েছে। অসত্ রাজনৈতিক উদ্দেশে এটা করা হয়েছে। এটি সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের পরিষ্কার লঙ্ঘন। আর এর দুই বছর পর সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ব্যক্তি ও ব্যক্তিবর্গ শব্দগুলোকে সুরক্ষা দেয়া হয়েছে। এ যেন আগে সন্তান হয়ে গেছে। পরে সন্তানকে জায়েজ করার জন্য বাবার বিয়ে হলো। তিনি বলেন, সংবিধানের ৯৪(৩) অনুচ্ছেদ বলছে, প্রধান বিচারপতি ও আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিরা আপিল বিভাগে এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা হাইকোর্টে আসন গ্রহণ করবেন। সংবিধান অনুযায়ী আপনারা হাইকোর্টে আসন গ্রহণ করবেন। অথচ আপনারা ট্রাইব্যুনালে আসন গ্রহণ করছেন। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর ৭ (ক) অনুযায়ী, কেউ যদি সংবিধান লঙ্ঘন করে অথবা সংবিধানের প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট করার উদ্যোগ নেয় তবে তিনি রাষ্ট্রদ্রোহিতার জন্য দোষী হবেন। সংবিধানের এ বিধান বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। একথা বলতে খুবই বিব্রত যে, আমি এ ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং ট্রাইব্যুনালে যারা আছেন সবাই রাষ্ট্রদ্রোহিতার জন্য দোষী। এসব কথা বলতে আমি খুবই বিব্রত। কারণ, আমি ফজলুল কাদের চৌধুরীর সন্তান। যিনি মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আইনজীবী ছিলেন।
সালাহউদ্দিন কাদের বলেন, সংবিধান লঙ্ঘন করে ট্রাইব্যুনালের আইন সংশোধন হয়েছে। আইন লঙ্ঘন করে বিধি তৈরি করা হয়েছে। সংবিধানের ২৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো আইন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে তা বাতিল হয়ে যাবে। তার জন্য কোনো ঘোষণার প্রয়োজন হবে না। তিনি বলেন, লাখো শহীদের বিনিময়ে স্বাধীন হয়ে গেছে একথা বায়তুল মোকাররমে বলা যায়। আদালত, এখানে একথা বলা যায় না। এখানে কথা বলতে হবে আইন ও যুক্তির ভাষায়। তিনি বলেন, আমি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছি। আমার শপথে সংবিধান রক্ষার কোনো কথা বলা নেই। কারণ, সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংশোধনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে হয়। কিন্তু আপনারা, বিচারপতিরা সংবিধানের রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধানের শপথ নিয়েছেন। নিয়তির নির্মম পরিহাস এই যে, আপনাদের শপথ রক্ষার্থে আমাকে আবেদনপত্র দিতে হয়েছে। সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, আমার ওপর নির্যাতন হয়েছে। যা আগেই বলেছিলাম। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেই স্পর্ধা কোথায় পেল তার জবাবের ভার আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ট্রাইব্যুনাল ও দেশের জনগণের ওপর ছেড়ে দিলাম।
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, এতো তাড়াহুড়ার কিছু নেই। আমার আবেদন হয়তো খারিজ হবে। ট্রাইব্যুনাল বলেন, আপনার আইনজীবীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল প্রসিকিউশনের জমা দেয়া ডকুমেন্ট নিয়ে যেতে। কিন্তু তা নেয়া হয়নি। জবাবে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, আপনি চেম্বারে বসে আমার মামলা আমলে নেয়ার আদেশ দিয়েছেন। সেটা আপনার ও প্রসিকিউশনের প্রাইভেট ম্যাটার। আমি মামলা আমলে নেয়ার ব্যাপারে আবেদন দিয়েছি। সে আবেদন নিষ্পত্তি না করা পর্যন্ত আমি কোনো ডকুমেন্ট নেব না। ট্রাইব্যুনাল বলেন, ডকুমেন্ট না নিলে আপনারই ক্ষতি। তিনি ট্রাইব্যুনালকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনার চুল সাদা হয়ে গেছে, আর আমার চুল তো পড়ে গেছে। ৬৩ বছর বয়স হয়ে গেছে আমার। তাই আমাকে আর আজরাইলের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। এরপর সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর কাছে আদালত জানতে চান, তার আর কত সময় প্রয়োজন। তিনি তখন আরও চার-পাঁচ ঘণ্টা সময় লাগবে বলে উল্লেখ করেন। আদালত বিরতির পর আবারও শুনানি করতে চাইলে তিনি অসুস্থতার জন্য তাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আজ সাড়ে দশটায় আবার শুনানির সময় নির্ধারণ করেন।

মাইক্রোফোন ছাড়া ট্রাইব্যু নালের আর কিছুই আন্তর্জাতিক ন য় : সালাহউদ্দিন কাদের :: নয়াদি গন্ত

30 Nov

http://www.dailynayadiganta.com/details/13820

মাইক্রোফোন ছাড়া ট্রাইব্যুনালের আর কিছুই আন্তর্জাতিক নয় : সালাহউদ্দিন কাদের

বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেছেন, মাইক্রোফোন ছাড়া এই ট্রাইব্যুনালের আর কোনো কিছুই আন্তর্জাতিক দেখতে পাচ্ছি না। ট্রাইব্যুনাল গঠনে সংবিধান লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রদ্রোহের পর্যায় পড়ে কি না সে বিষয়ে অ্যামিকাস কিউরি ডেকে শুনানির দাবি জানিয়েছেন তিনি। সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী আদালতকে বলেন, এটি কোনো মামুলি বিষয় নয়। ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক, ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদসহ আরো যারা সিনিয়র আইনজীবী আছেন তাদের ডেকে এনে বিষয়টি ফয়সালা করা হোক।
১৯৭১ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের লক্ষ্যে গঠিত ট্রাইব্যুনালের বিরুদ্ধে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী গত ২৪ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে একটি আবেদন দায়ের করেন। এ বিষয়ে ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত তিনি ট্রাইব্যুনালের সব কার্যক্রম স’গিত করার আবেদন জানান। গতকাল সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানিতে অংশ নিয়ে সালাহউদ্দিন কাদের ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হককে উদ্দেশ করে বলেন, স্যার আমাকে আজরাইলের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। আপনার চুল সাদা হয়েছে। আমার চুল পড়ে গেছে। আমার বয়স ৬৩ বছর। কাজেই আমাকে ওসব ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, স্যার আমার চাচাতো বোনের সাথে আমার কোনো শত্রুতা ছিল না। কিন’ মইন উদ্দিন-ফখরুদ্দীন তাকে ক্ষমতায় বসানোর পর আমি যুদ্ধাপরাধী হয়ে গেলাম।
ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হককে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, স্যার পত্রিকায় দেখলাম আপনি বলেছেন, ১৯৯৪ সালের গণতদন্ত কমিশনের সেক্রেটারিয়েট মেম্বার হিসেবে শুধু আপনার নামটা ছিল। কিন’ স্যার রাজাকার, আলবদর, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বা কোনো সহায়ক বাহিনীর কোথাও আমার কোনো নাম ছিল না। তবে আমি স্যার একটা জায়গায় ধরা খেয়েছি। যে বাপের কোলে আমার জন্ম হয়েছিল এবং যে বাপ আমার জন্মের পর খাসি জবাই করে আকিকা করেছিল- সেই বাপের পরিচয়ের কারণে আজ আমি যুদ্ধাপরাধী।
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হকের কাছে জানতে চান তার বক্তব্য রেকর্ড করা হচ্ছে কি না। বিচারপতি নিজামুল হক বলেন, এখনো হচ্ছে না। তবে ভবিষ্যতে হবে। তখন সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, এটা স্যার কেমন আন্তর্জাতিক আদালত। আপনার সামনে মাইক্রোফোনটা ছাড়া আর কোনো কিছুই তো আন্তর্জাতিক দেখতে পাচ্ছি না।
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী কোনো আইনজীবী নিয়োগ ছাড়াই নিজের বক্তব্য পেশ করেন। বেলা ১১টায় আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে তিনি তার ৫৬ দফা আবেদন পড়ে শোনান। এরপর প্রায় আধঘণ্টা বক্তব্য রাখেন। একপর্যায়ে আদালত আজ (বুধবার) সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেন।
শুনানিতে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, আমার কাছে যেসব যুক্তিতর্ক রয়েছে তার ওপর বক্তব্য দিলে অনেক সময় দরকার। আদালতের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ কোনো সাধারণ বিষয় নয়। বিষয়টি এত গুরুত্বপূর্ণ যে, এ বিষয়ে ফয়সালা করার জন্য ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক, ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদসহ আরো যারা দেশে বিশিষ্ট আইনজ্ঞ রয়েছেন- তাদের এখানে ডেকে এনে বক্তব্য শোনা হোক। তাদের মতামত নেয়া হোক। বিচারপতি নিজামুল হক তখন বলেন, অ্যামিকাস কিউরি ডাকার প্রয়োজন আছে কি না তা আমরা দেখব।
আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে প্রথমেই ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক সালাহউদ্দিন কাদেরের কাছে জানতে চান- আপনার আইনজীবীরা কোথায়। সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, তারা সব পালাচ্ছে। তাদের নামে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দেয়া হয়েছে। তারা জামিনের জন্য হাইকোর্টে দৌড়াচ্ছে। আসবে কী করে? বিচারপতি নিজামুল হক তখন বলেন, আপনার ওকালতনামায় তো ৫০ জনের ওপর আইনজীবীর স্বাক্ষর দেখা যাচ্ছে। তারা কোথায়? তখন সালাহউদ্দিন কাদের বলেন, ৫০ জন নয়, আমার আড়াই শ’ আইনজীবী আছেন। তারা সবাই ভয়ে পালাচ্ছেন।
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, আমি শুরু থেকেই বলে আসছি আমি কোনো আইনজীবী নিয়োগ দেবো না। আমার বক্তব্য আমিই দেবো। কিন’ আদালত আমাকে বাধ্য করছে আইনজীবী নিয়োগের জন্য।
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বন্দী অবস’ায় তার ওপর নির্যাতনের প্রসঙ্গে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যখন পাকিস্তান বাহিনী গ্রেফতার করে তখন তারা পর্যন্ত সাহস পায়নি তার গায়ে হাত তোলার। আমি ৩২ বছর ধরে সংসদ সদস্যের দায়িত্ব পালন করছি। কিন’ আমার ওপর নির্যাতন করা হয়েছে। কোন সাহসে তারা আমার গায়ে হাত দিয়েছে এর বিচার আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং দেশ ও জাতির ওপর ছেড়ে দিলাম।
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের উদ্দেশে বলেন, স্যার বিবিসির খবরে শুনতে পেলাম একজন প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন এ ট্রাইব্যুনাল কোনো কোর্ট কি না। এই ট্রাইব্যুনাল কোনো কোর্ট কি না সে বিষয়ে আমি কোনো চ্যালেঞ্জ জানাইনি। ট্রাইব্যুনাল তখন বলেন, আপনি কী মনে করেন। সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, একজন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি যেখানে যান সেখানেই তিনি তার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন। যেমন কিছু দিন আগে রাস্তায় একজন পুলিশ বিচারপতিকে স্যালুট না দেয়ার কারণে সেখানেই তাকে শাস্তি দেয়া হয়েছে। এখানে সুপ্রিম কোর্টের দুইজন বিচারপতি আছেন। তাই আমি একে সুপ্রিম কোর্ট মনে করি।
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতির শপথবাক্য পাঠ করে শুনিয়ে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতি ‘সংবিধান ও আইনের রক্ষক সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধান করিব’ বলে শপথ করেছেন। কিন’ একজন এমপির শপথে এ বিষয়গুলো থাকে না। কিন’ দুঃখের বিষয় হলো, একজন এমপি হয়ে আমাকে সংবিধান রক্ষণের জন্য কথা বলতে হচ্ছে।
লিখিত বক্তব্যে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, এই ট্রাইব্যুনালে তিনজন বিচারপতির মধ্যে দুইজন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি। এরা হলেন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক এবং অপর বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবির। সংবিধানের ৯৪ (৩) ধারা মতে, প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগের বিচারপতিরা আপিল বিভাগে বসবেন। সুপ্রিম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতি হাইকোর্টে বসবেন।
তিনি বলেন, সংবিধানের এই ধারা মোতাবেক হাইকোর্টের বিচারপতিদের হাইকোর্টের বাইরে অন্য কোথাও বসার বিধান নেই। কিন’ সংবিধানের ৯৪ (৩) ধারা লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে এই দুই বিচারপতিকে ট্রাইব্যুনালে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই দুই বিচারপতিকে হাইকোর্টের বাইরে ট্রাইব্যুনালে নিয়োগ দিয়ে ২০১০ সালের ২৫ মার্চ আইন মন্ত্রণালয় থেকে যে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে তা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রতি যেমন চরম আঘাত তেমনি সংবিধানেরও লঙ্ঘন।
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী আবেদনে বলেন, ২০০৯ সালে ১৯৭৩ সালের আইনের যে সংশোধনী পাস করা হয়েছে তা-ও সংবিধানবিরোধী এবং অবৈধ। ১৯৭৩ সালের আইনটি করা হয়েছিল পাকিস্তানি ১৯৫ জন সেনাকর্মকর্তার বিচারের জন্য। আইনের মাধ্যমে পাকিস্তানি আর্মড ফোর্সেস বা ডিফেন্স এবং অক্সিলিয়ারি ফোর্সের সদস্যদের বিচারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি ওই-জাতীয় কোনো বাহিনীর সদস্য ছিলেন না। কিন’ ২০০৯ সালে যে সংশোধনী আনা হয়েছে তাতে ‘ইন্ডিভিজুয়াল’, ‘গ্রুপ অব ইন্ডিভিজুয়াল’ এবং ‘অর্গানাইজেশন’, শব্দগুলো যোগ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সব নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণ করা হয়েছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ঢাকা বিভক্তি এ সরকারের একটি স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত। এতে রাষ্ট্রের ব্যয় ও জনগণের ভোগান্তি বাড়বে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বিভক্ত ঢাকাকে একীভূত করা হবে। শেষ সময়ে মন্ত্রিসভা রদবদল করেও সরকারের শেষ রক্ষা হবে না। ড্যামেজ ইজ অলরেডি ডান। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ঢাকা বিভক্তির বিরুদ্ধে জনগণের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনের প্রতি বিএনপির পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। ক্ষমতায় গেলে এই অগণতান্ত্রিক, অসাংবিধানিক ও স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত বাতিল করে আবার ঢাকাকে একটি সিটি করপোরেশনে রূপান্তর করা হবে।
মির্জা আলমগীর বলেন, বর্তমান রাবার স্ট্যাম্প পার্লামেন্টে ব্রুট মেজরিটির জোরে ঢাকা ভাগ করা হলেও এটা কেউ মেনে নেয়নি। তিনি বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর নির্বাচন না দিয়ে দলীয় লোকদের বসানোর জন্যই এটা করা হচ্ছে। মির্জা আলমগীর বলেন, ঢাকা ভাগের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী জনসেবার মান বাড়াতে খোঁড়া যুক্তি দাঁড় করিয়েছেন। এতে রাষ্ট্রের ব্যয় বাড়বে, সমন্বয়হীনতা বৃদ্ধি ও জনগণের ভোগান্তি বাড়বে। এই সিদ্ধান্ত ঐতিহ্যবাহী এই নগরীর নাগরিকেরা মানবে না। সঙ্কীর্ণ রাজনৈতিক মানসিকতা থেকেই স্বৈরাচারী অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরকে দুই ভাগ করার এই সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী। ইতোমধ্যে নানা পেশার মানুষ এটার বিরোধিতা করেছে। তুঘলকি এই সিদ্ধান্ত অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক।
তিনি বলেন, সরকার কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছে। যা করার দরকার নেই তা করছে, যা দরকার তা করছে না। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। জনগণের নিরাপত্তা দিতে পারছে না। গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি সমস্যার সমাধান করতে পারছে না। কর্মসংস’ানের ব্যবস’া করতে পারছে না। অথচ একের পর এক অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
তিনি বলেন, আমরা ঢাকা বিভক্তির এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করছি। একই সাথে ঢাকা বিভক্তির বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা জনগণের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনের প্রতি আমরা পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছি। সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করুন।
ডেমোক্র্যাসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস নামের নতুন নাগরিক গণ-আন্দোলন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ সম্পর্কে জানতে চাইলে মির্জা আলমগীর বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণতন্ত্র বিকাশের জন্য যারা কাজ করছে তাদের স্বাগত জানাই। গণতন্ত্র বিকাশে তারা কাজ করবেন বলে আশা করি।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ও ওবায়দুল কাদের মন্ত্রিত্ব পাওয়ায় অভিনন্দন জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। একই সাথে তিনি বলেন, মন্ত্রিসভায় রদবদল করেও শেষ রক্ষা হবে না। ড্যামেজ ইজ অলরেডি ডান।
এখন আর জীবনরক্ষাকারী ওষুধ দিয়ে কাজ হবে না। সরকারের সময় শেষ হয়ে গেছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম বন্ধ ও সেনাবাহিনী মোতায়েনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) দেয়া বিএনপির চিঠির প্রেক্ষাপটে ইসির দেয়া জবাব ও খালেদা জিয়ার কাছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের দেয়া চিঠি ও বিএনপিকে দেয়া নির্বাচন কমিশনের চিঠির উত্তর শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপসি’ত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব মো: শাহজাহান, মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবদুস সালাম, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক কাজী আসাদ, নির্বাহী সদস্য রফিক সিকদার, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি আবদুস সালাম আজাদ, নাজিম উদ্দিন আহমেদ এমপি, রেহানা আকতার রানু এমপি প্রমুখ।

স’ানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, নির্বাচনের ভয়ে কিংবা রাজনৈতিক কারণে ডিসিসিকে বিভক্ত করা হয়নি। নাগরিকদের সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের রাজধানীকে বিভক্ত করা হয়নি। কেবল সিটি করপোরেশনকে বিভক্ত করা হয়েছে। আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই ডিসিসির জন্য প্রশাসক নিয়োগ করা হবে। আজ বুধবার বিলটি রাষ্ট্রপতি মো: জিল্লুর রহমানের কাছে পাঠানো হবে। তিনি স্বাক্ষর করলে আগামীকাল প্রশাসক নিয়োগ করা হবে।
গতকাল বিকেলে সংসদে মাত্র চার মিনিটেই ঢাকা সিটি করপোরেশন (ডিসিসি) দুই ভাগ করার বিল পাসের পরই সংসদের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ আশরাফ বলেন, ডিসিসি দুই ভাগ করতে গিয়ে সরকার বেশ কিছু চমকপ্রদ তথ্য খুঁজে পেয়েছে। এটি একটি ‘পিকিউলিয়ার’ শহর। ঢাকার আয়তন যতখানি তার অর্ধেকও ঢাকা নয়। ভাসমান জনসংখ্যার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই। কেউ বলে এক কোটি, কেউ বলে এক কোটি ২০ লাখ। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনের ভয়ে নয়, সরকার মূলত নাগরিক সুবিধা আরো বেগমান করতে ডিসিসি বিভক্ত করেছে। নগরবাসীর দোরগোড়ায় নাগরিক সেবা পৌঁছে দিতে প্রশাসনকে বিকেন্দ্রীকরণ করতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।
ঢাকার সদ্যবিদায়ী মেয়র সাদেক হোসেন খোকার এক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, তারা (বিএনপি) যদি জনগণের ভোট পেয়ে ক্ষমতায় এসে ডিসিসিকে আবার আগের অবস’ায় নিতে চায় তাহলে জনগণের রায় হিসেবে আমরা তা মেনে নেবো।
তিনি বলেন, ডিসিসি বিভক্তি করা নিয়ে অনেকেই ‘টক শো’তে বিভিন্ন রকম বিরূপ মন্তব্য করছেন। যারা এভাবে সমালোচনা করছেন তারা আসলে সঠিক তথ্য দিচ্ছেন না। সমালোচানা করতে গিয়ে অনেকে বলেছেন বিশ্বের কোথাও সিটি করপোরেশনকে ভাগ করার নজির নেই। তিনি বলেন, লন্ডন শহরেও দু’টি সিটি করপোরেশন আছে। একটি সিটি লন্ডন ও আরেকটি গ্রেটার লন্ডন। দু’টির হেড কোয়ার্টারের দূরত্ব মাত্র ৫০ গজ। সেখানে দুইজন আলাদা নির্বাচিত মেয়র রয়েছেন। এ ছাড়া সেখানে আরো ৩৬টি বার-এ কাউন্সিল রয়েছে। প্রতিটিতে আলাদা মেয়র রয়েছেন। অর্থাৎ শুধু লন্ডনেই মেয়র রয়েছেন ৩৮ জন। তাদের সিটি করপোরেশন ৪০০ বছরের পুরনো। তারা আমাদের চেয়েও বেশি অভিজ্ঞ। তিনি বলেন, এ ছাড়া নিউ ইয়র্কে একজন মেয়র থাকলেও সেখানে পাঁচজন বার-এ কাউন্সিল মেয়র রয়েছেন। নিউ ইয়র্ক সবচেয়ে ধনী শহরগুলোর একটি। তাদের দু’টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরের মালিকানা সিটি করপোরেশনের। এমনকি শহরের পুলিশের দায়িত্বও তাদের। তাদের নাগরিক সেবা দেয়ার প্রয়োজন হয়েছিল বলেই তারা সিটি করপোরেশন ভাগ করেছিল। ঢাকার জনসংখ্যা লন্ডনের জনসংখ্যার কাছাকাছি। ঢাকায় ১৭টি ইউনিয়ন পরিষদ আছে। অথচ সেগুলো ডিসিসির আওতায় নয়। ক্যান্টনমেন্ট, সব ডিওএইচএস ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অধীনে। বসুন্ধরা সিটির চারটি ব্লক বাদে বাকিগুলো ডিসিসির আওতার বাইরে। সেগুলো ডিসিসির আওতাভুক্ত নয় বলে সেখানকার অধিবাসীরা ডিসিসির ভোটার নন। তারা জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারলেও স’ানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন না। তিনি বলেন, এই বিপুলসংখ্যক লোক ডিসিসির না হয়েও ডিসিসির সেবা ভোগ করছেন। তারা রাস্তাঘাট ব্যবহার থেকে শুরু করে পানি বিদ্যুৎ গ্যাসসহ সব ধরনের নাগরিক সুবিধা ভোগ করছেন। এতে করে বাড়তি জনসংখ্যার চাপও ডিসিসিকে বহন করতে হচ্ছে। অথচ তারা কোনো ধরনের কর ডিসিসিকে দেয় না। এ সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড। এমনকি তাদের বাড়ি বানানোর অনুমোদন দেয়ার এখতিয়ার রাজউকের নেই।
সে ক্ষেত্রে ডিসিসি দুই ভাগ হলে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড ডিসিসির আওতায় আসবে কি না- প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রশ্নটি অনেক আগেই ওঠা উচিত ছিল। আমরা মনে করি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড ডিসিসির আওতায় আসা উচিত। কারণ তারা ডিসিসির সব সুবিধাই ভোগ করে। একইভাবে ১৭টি ইউনিয়ন পরিষদও ডিসিসির আওতায় আসা উচিত বলে মনে করি। এত দিন বিষয়গুলো আলোচনায় আসেনি। বর্তমান সরকার এগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ করে এগোতে চায়। এগুলোকে ডিসিসির আওতায় হঠাৎ করে আনা সম্ভব নয়। কারণ এ নিয়ে অনেক মামলা রয়েছে। এগুলো নিষ্পত্তি করে এগোতে হবে।
তিনি বলেন, এ সরকার অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনে বদ্ধপরিকর। ইতোমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ পৌরসভা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সরকার তা প্রমাণ করেছে। ইভিএমের মাধ্যমে ভোট সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্য হয়েছে। এ সরকার মনে করে আগামীতে সব নির্বাচন ইভিএমের মাধ্যমে হওয়া উচিত। এতে করে ভোট ছিনতাই-জালিয়াতির কোনো সুযোগ নেই। সহজে কম সময়ে নির্ভুল ভোট গণনা করা যায়।
এ দিকে উপজেলা পরিষদ বিল প্রস্তাবে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট উপজেলা পরিষদ সংগঠনগুলোর সাথে দীর্ঘ দিন একাধিকবার আলোচনার পর অনেকের সাথে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংশোধনী আনা হয়েছে। তার পরও বলব এটা হয়তো পরিপূর্ণ নয়। আগামীতে আরো সংশোধনী আনা হতে পারে।

A War Crimes Court and a Travesty of Justice – NYTimes.com

29 Nov

http://latitude.blogs.nytimes.com/2011/11/29/a-war-crimes-court-and-a-travesty-of-justice/

A War Crimes Court and a Travesty of Justice

DHAKA, Bangladesh — On the fourth floor of a nondescript pale-blue government building in Old Dhaka, clerks are stapling together copies of depositions from witnesses to the crimes committed during Bangladesh’s 1971 war of secession from Pakistan — a conflict that may have killed up to three million people, according to the Bangladeshi government. Above them on the wall is a map showing the 11 sectors of what was then called East Pakistan.

Delwar Hossain Sayedee, a leading cleric of Bangladesh’s Islamist party, Jamaat-e-Islami, at the International Crimes Tribunal in Dhaka in November.Strdel/Agence France-Presse — Getty ImagesDelwar Hossain Sayedee, a leading cleric of Bangladesh’s Islamist party, Jamaat-e-Islami, at the International Crimes Tribunal in Dhaka in November.

In the office next door sits Abdul Hannan Khan, the chief investigator for the International Crimes Tribunal in Bangladesh, a court set up by the Bangladeshi government in March 2010 to “try and punish any individual or group of individuals, or any member of any armed, defence or auxiliary forces, irrespective of his nationality” who committed crimes against humanity, genocide, and war crimes, among other things, in 1971. Khan, a former police inspector general, is an affable man, in control and in no rush, who seems remarkably uninterested in politics. He says that his agency has finished investigating seven people. On Nov. 20th, the first of them, Delwar Hossain Sayedee, a leader of Jamaat-e-Islami, an Islamist party opposed to Bangladesh’s independence, was charged with a slew of crimes. He will soon be joined in the dock by nearly the entire Jamaat leadership, including its former chief, the 89-year old Ghulam Azam, and two prominent members of the opposition Bangladesh Nationalist Party (BNP).

No trial has yet taken place, but it already seems clear that the International Crimes Tribunal is an international tribunal in name only. Its exclusive focus on the Bangladeshis who bloodied their hands assisting the main perpetrators — the Pakistani military — makes the court look like an government appendage eager to settle a domestic score. Trying and punishing members of the former Pakistani Army is too sensitive politically for the current Bangladeshi government to even contemplate: it could cause a complete breakdown in relations with Pakistan. It would also be impractical, because there is no extradition treaty between Bangladesh and Pakistan.

More arrests are sure to follow. Khan is investigating 10 other suspected collaborators, including another six members of the Jamaat and two of the BNP. There is also Ashrafuzzaman Khan, an American, and Moinuddin Chowdhury, a British citizen, both alleged leaders of the pro-army paramilitary body called Al Badr, which massacred Bengali intellectuals in December 1971. Khan says that Khan lives in New York and Chowdhury in “UK, London.” Their being far away might seem like a serious obstacle, but according to one political analyst (who wishes not to be identified), even those cases will be a “slam dunk” because the two men will probably be tried — and convicted — in absentia.

The tribunal is shaping up to be a travesty of justice. The government seems to be using the court simply to rubberstamp a predetermination that the accused are guilty. For most Bangladeshis, that truth has been established since 1995, when a self-appointed panel of eminent citizens, headed by the current justice minister, compiled “evidence” of war crimes against 16 individuals, including the seven men currently awaiting trial before the International Crimes Tribunal. The Jamaat members’ defense team has asked one of the judges to step down because he sat on the 1995 panel. If, as is nonetheless expected, nearly the entire leadership of the Jamaat is convicted and hanged within two years, the Bangladeshi opposition will be conveniently weakened in time for the next parliamentary election in 2013.

Such a nakedly partisan exercise of justice would make it much harder for an accurate history of Bangladesh’s birth to ever be written. According to M. A. Hasan, of the War Crimes Fact Finding Committee, an independent body investigating the 1971 massacres, 95 percent of the atrocities were committed by Pakistani soldiers who resisted secession — and were under orders to kill to prevent it — on the theory that the Islamic unity of the two wings of Pakistan must not be compromised.

Yet none of them will be in court. Nor will any member of the pro-independence militias be charged for massacring tens of thousands of Bihari migrants who sympathized with Pakistan. The current list of accused looks so conveniently expedient for the Awami League of Prime Minister Sheikh Hasina that for the sake of appearance alone Hasina might have better served herself, and Bangladesh, by making a greater show of endorsing an independent war crimes trial subject to international standards. The defense teams do count some high-caliber international lawyers, but the government has effectively barred them from being present in court by making it hard for them to even get into the country.

In the midst of all the politicking, Hasan has somehow managed to adopt an impartial position. A few years back, he submitted to the government a list of 1,775 suspected war criminals, including the accused currently on trial but also collaborators from the Awami League’s coalition partners and members of the former Pakistani military. At the end of a visit to his office last Tuesday, during which he bemoaned continued impunity, Hasan produced what he called a “genocide map” of Dhaka. It showed 48 mass graves, with latitudes and longitudes.

Ambassador Stephen J Rapp on Bangladesh International Crimes Tribunal

29 Nov

Embassy of the United States of America
Public Affairs Section
Tel: 880-2-885-55-00
Fax: 880-2-9881677, 9885688
E-mail: DhakaPA@state.gov​
Website: http://dhaka.usembassy.gov

http://www.state.gov/s/wci/us_releases/remarks/177811.htm

REMARKS BY

AMBASSADOR STEPHEN J. RAPP

PRESS CONFERENCE
Dhaka Reporters’ Unity
NOV 28, 2011
Dhaka

DHAKA, NOVEMBER 28 — Visiting U.S. Ambassador-at-Large for War Crimes Issues Stephen J. Rapp addressed a press conference in Dhaka today, Nov 28. Following are his remarks:

This is my third visit this year to Bangladesh to learn about your International Crimes Tribunal and to offer ideas to ensure that the trials it holds will be fair and open.

I know of the horrible crimes committed in the country in 1971– of the hundreds of thousands of victims who were murdered and raped, of the pain inflicted and the property destroyed. The victims of these crimes deserve justice, and those accused of these acts deserve trials where they can test the evidence and present witnesses on their own behalf. Those who are innocent should be found not guilty and be freed. Those who are responsible for these crimes should be found guilty and punished. Given the historic importance of these trials to Bangladesh, the region, and the world, the proceedings should be conducted in a manner that is open and accessible to all.

In March, I made a number of suggestions on how the rules for these trials could be amended to ensure fair and transparent proceedings. Some of these suggestions were incorporated in amendments adopted in June.

I regret to say that many were not

.
Now the first trial has begun with the opening statements of the prosecution last week, and with witnesses due to begin testifying on December 7.

The focus of my present visit is on how the International Crimes Tribunal will conduct these trials. The statute and the rules are in place; the question now is how they will be interpreted in actual practice. Much can still be accomplished to ensure that justice is done and is seen to be done in these historic proceedings.

First, it is important that the judges, at the first opportunity, define what “crimes against humanity” means. The term “crimes against humanity” has been defined in the statutes and cases of international courts. It has not been defined in Bangladesh. In their charge framing order in the first case, the judges said that they would interpret the statute according to Bangladesh law but look for additional guidance in the decisions of international tribunals. But it is not clear whether the prosecution must prove whether the alleged murders and rapes were committed as part of a widespread and systematic attack against a civilian population; whether they were committed on a racial, religious, or political basis; whether the alleged perpetrators would need to have knowledge of the larger attack. At other courts, the elements of the crimes have been defined by the judges in an early ruling. The same can be done here.

Second, it is important that the same rights be accorded to these accused as are guaranteed to Bangladeshi citizens who are charged with other violent crimes. The Bangladesh constitution and laws provided that this was to be a special court responsible for its own rules and procedures. As the judges have amended the rules to incorporate concepts like the presumption of innocence and proof beyond a reasonable doubt, it is also important that they conduct these trials to ensure that the accused have the same right to consult with their counsel, the same time and ability to prepare their defense, and the same time and ability to challenge the process as they would have in other cases.

Third, while the rules amendments provided for the protection of witnesses, it is important that a system of protection of witnesses be developed in practice and available to both sides. In the first trial, witnesses for the prosecution have already been listed. The defense must file a list of witnesses by December 7. Witness protection measures must be in effect to ensure that those willing to come forth and tell the truth will not be subject to threats and intimidation.

Finally, and most importantly, the process must be accessible to all. It is not easy for members of the public to attend court sessions. Ideally, the trial sessions should be broadcast on television or radio, or weekly reports be aired that would show key testimony, arguments, and rulings. This is being done now in the trials in Cambodia of those alleged to be responsible for the atrocities committed in that country in the 1970s. If this is not possible in Bangladesh, neutral observers should be permitted to follow the trials and produce daily and weekly reports that would be available through the internet and other media.

These trials are of great importance to the victims of these horrible crimes. What happens here will send a message to others who would commit these crimes anywhere in the world that it is possible for a national system to bring those responsible to justice.
I am here because the people of the United States wish to help ensure that this is a process that is fair and transparent. We will continue to work with all those involved in this process to achieve justice in these historic trials.

Bangladesh Government makes ICT controversial- An exclusive interview with Toby Cadman

28 Nov

Bangladesh Government makes ICT controversial

An exclusive interview with Toby Cadman

New York (ANS) – Toby Cadman, eminent British lawyer with an expertise to deal with war crimes and crimes against humanity has said the government of Bangladesh and the International Crimes Tribunal (ICT) should work in a way so that it does not give an idea that they are trying some people because of political opposition. There is a conception that the government is only targeting people from opposition parties. So it may be deemed as politically motivated exercise. The point we are trying to make repeatedly that if the government wants to make its standard as international as repeatedly said by the government ministers, if they are serious in holding the trial in international standard, they have to implement the recommendations made by the Ambassador-at-Large on War Crimes of the State Department of the US Stephan J Rapp, International Bar Association, Amnesty International, Center for Transitional Justice and others, if they can convince the world that they are not conducting trials with a political motive, they can go ahead.

But they themselves made it controversial by making open comments that these are politically motivated. My attention draws to one recent comment by State Minister for Law Kamrul Islam as he said this would be the model for the rest of the world, this would be the best tribunal in the world. If it is the case, then implement international standard, allow foreign counsel to appear, allow international observers to monitor the trial, reinstate the constitutional protections that means amendment to the 1st and 15th amendment to the constitution, ensure application of Criminal Procedure Act and Criminal Evidence Act in the ICT procedure and show the world how this can be done.

He said this in an exclusive interview at his Manhattan hotel suite on November 16, 2011 with Atlantic News Service (ANS) while he was on a trip to New York, USA. Referring to his experience, he said it is indeed very difficult to hold trial in a fair manner in the country where the crimes were committed. It is almost impossible. Bosnia was not capable of doing that because there was deep rooted animosity between the ethnic groups. To ensure international participation and keeping the court free from fear and emotion a third country is better place to conduct such trial.

Toby Cadman is a barrister in Chambers at 9 Bedford Row, London, is a lead defense counsel for the accused Jamaat-i-Islami leader, who are facing charges for their alleged connections in crimes against humanity during the Bangladesh’s liberation war in 1971. Two other members of the three-member team, who are working as advisers to the Bangladeshi defense counsels for Jamaat leaders as they were not given permission by the Bangladesh Bar Council to appear before the (ICT). Toby, who worked as a prosecutor in Bosnian war crimes tribunal, was denied entry to Bangladesh in early August 2011, which created problem to directly interact with the defense counsels.

Toby said that Bangladesh has the opportunity to show the world that in a domestic setting trial of international standard can be conducted. In that case the International Crimes tribunal (ICT) of Bangladesh has to ensure that it is sufficiently capable in conducting these cases with the standard of the International Criminal Court (ICC). He said, if the government is insistent that Bangladesh will be a model for the rest of the world in dealing with such cases then the judges of the ICT should be assisted by international advisers, the prosecutors should have international assistance and the government should implement the recommendations made by Mr Stephan J Rapp, Ambassador-at-Large on war crimes affairs of the US State Department.

When asked whether he and two other members of his team broke the code of conduct by suggesting the chairman of the ICT to step down for his earlier involvement in an enquiry against Jamaat leader Moulana Sayedee and introducing themselves as counsels for Sayedee, Toby said that we have been made accused by the International Crimes tribunal of Bangladesh of breaching our code of conduct in the United Kingdom. I have read the ICT order. I do not want to say too much about the process as they are yet to write to the Bar Standard Board. But we did not break any code of conduct as we are very much within our professional line.

Toby said adding in the ICT regulations there are provisions of allowing foreign counsels, but it requires permission of the Bangladesh Bar Council, which has earlier refused to allow me and my colleagues to appear in these cases. So our role is to advise the Bangladeshi counsels of our clients, who are leaders of the Jamaat-i-Islami party. As I was not allowed to Bangladesh, it has become difficult to directly advise our clients

Referring to his experience in dealing with ware crimes cases in Bosnia and Herzegovina, Toby Cadman said, I have spent most of my time in Bosnia where I was on the prosecution side, although primarily I was on the defence side. In Bosnia, the court was domestic, but with international assistance. So there were international judges and prosecutors. These courts were set up to try both military and civilian personnel. During the armed conflict in Bosnia and Herzegovina and indeed the whole region of former Yugoslavia, there were military tribunals. After the end of the war the international community brokered a peace deal. It was deemed inappropriate for cases done by the military courts. So they had created civilian courts to deal with these cases. And the state court in Bosnia with the highest jurisdiction level which would try both civilian and military personnel who were involved in actions during the conflicts. Ordinarily in dealing with cases of such gravity and sensitivity, it generally concerns the actions taken by the military personnel, but there will of course civilian personnel to be charged with such crimes. In Bangladesh, the scenario is quite different and in our view very problematic. The tribunal and the legislation was not for setting up of a civilian court. The legislation was targeted to set up a military tribunal with the intention to try 195 Pakistani military personnel. It subsequently became a court that would try civilians, military and auxiliary forces. There is nothing wrong in doing that and trying civilians. But the problem is the legislation itself. You have to keep in mind and consider the time of the legislation. The 1973 Act under which the present ICT was set up, was not drafted with the intention of trying civilians, but to try military personnel. If the 1973 Act was effectively torn up to start anew and a new Act is drafted and also set new rules, in our view then that would be a sensible way to dealing with the cases. One of the criticisms was that you can tear up a legislation, all laws have retrospective effect and there is a principle in the international law that a person cannot be charged, tried or convicted with a law that was not applicable at the time of committing crimes. But there are exceptions also that the crimes that are international in nature recognized by the international community, such as war crimes, genocide, crimes against humanity and you cannot have a retrospective law in these events. The 1973 Act is retrospective anyway as the crimes were committed in 1971 not in 1973.

Responding to a question whether it is possible for the ICT to maintain international standard in conducting cases of such gravity, Toby said, we have also raised our newest concerns as to the Act itself, the rules of procedure and the ICT legislation. One thing is very important that the ICT has to be either national or international. You cannot something in the middle. If it is an international tribunal, there would be international assistance, there would be compliance with international standard and that tribunal would have to incorporate general fair trial procedure as recognized under international law. But the ICT does not. It does not accept international law, does not consider the activities of any international tribunal. So the question is raised that is it then a domestic court? The related laws of Bangladesh are excluded in dealing with cases before the ICT. The Criminal Procedure Act and the Criminal Evidence Act are excluded, the constitutional protections are also excluded. With the exception of appealing against conviction sentence there is no right to make interlocutory appeal. There is no right to appearing to a higher court of a decision of the ICT judges. One cannot challenge the jurisdiction of the ICT. In that sense you cannot say that it is a domestic or national court. So question comes, what is it? They said that it is a combination of two. But it cannot be, you have to be one or the other.

When asked how the ICT would go ahead without testimony of eye witnesses and reliable documentary evidence as the charges are being framed based on newspaper clippings and literature, Toby said that war crimes cases are often very difficult, because of the sources of the evidence that are available. There are very little documentary evidence and even little live testimony by way of direct identification of those. War crimes tribunal works on hearsay, by second and third hand evidence, which made it difficult. In Bangladesh, it is even more complicated and difficult as the incident took place 40 years ago, but that does not mean that you lower the standard of evidence. One of the comments made at a seminar when I visited Bangladesh last time in January, that you cannot expect trial of international standard from the ICT. That does necessarily mean that you can lower the standard of evidence. You cannot reasonably convict an individual based on rumor. If we just rely on literature, newspaper clippings, it is not going to give a satisfactory decision. But the judges ultimately have to rule on those evidence.

He further said, it will of course be a challenge for the tribunal, because we are looking at complex crimes forty years late. Lot of evidence may have been destroyed, lot of evidence will have in the hands of Pakistan military, many evidence will be in the hands of Indian military and those are not going to be available to the tribunal, and that is a shame and Bangladesh loses an opportunity to end an impunity and the victims of the war of liberation will not get justice. What is crucial to mention that we are not suggesting that crimes did not occur, we are not suggesting that victims on a large scale did not suffer. Everybody know that a conflict had occurred and many people were suffered, there may be dispute with the actual number as it happen in any conflict, but the truth is the crimes had occurred.

On a question about involvement of Jamaat leaders in committing crimes against humanity in 1971, Toby replied that the point is that our clients are not connected to these crimes as they had not been in a position to do so in 1971. They were in the political opposition at that time and the trial will show that. There was a pre-judgment in the media due to their political objective. But still we hope to see that the tribunal will conduct trials based on evidence maintaining the principle of fair trial and not on the basis of rumor. The legality of the judgment and the sentences of the tribunal will be judged by the fairness of the trial process. If the trial is fair and credible, then one can justify the judgment.

As it happened in many instances that innocent people got punished for crimes committed by others due to absence of proper evidence, whether their clients are going to face the same fate, Toby Cadman said, when a tribunal has the jurisdiction to sentence one person to death then the standard of evidence should be higher and authenticity should be beyond any doubt, because of the ultimate sanction. It is worrying when the ICT is dealing with direct death. Although there is no direct identification by an eye witness that cannot be said that the trial was not fair. In absence of eye witnesses a trial can be fair on the basis of other compelling evidence. We have such cases all the time. In Sebrenitza, I was involved with a case in which the Yugoslav army killed 8,500 Bosnian Muslims and very effectively ensured elimination of all the surviving legacies. So how do you justify that there was no direct evidence. There are other evidence to determine a person’s guilt. If other forms of evidence are satisfactory, which are very high standard that can work. Obviously, it depends on proper assessment of the evidence. I am deeply opposed to death penalty in any form and any circumstances. In the United Kingdom, we have abolished death penalty long ago. Our efforts are on to abolish death penalty from the European countries, those still have such laws.

When asked how a trial can be fair when the prime accused 195 identified war criminal were kept out of the jurisdiction of the ICT and only their collaborators are being accused, Toby said, we have come across similar questions many times that why people at the top were not brought to justice when courts deal with crimes of such gravity. Legally there is no wrong in prosecuting only people at the bottom and not bringing top brasses to justice. It is totally a prosecutory decision. You select those cases that you most likely to prosecute. Those were on the top are unreachable, they are in Pakistan and not available. So it is better to target the people at the bottom, you pick those who are easier to pick and don’t go to the top. It has become the transitional justice issue that you are not dealing with the real problem. It is a dangerous matter and dangerous for long-term, because you are not dealing with the root of the problem. It is not wrong, but not sensible. The ICT can do nothing to it as it was not set up to resolve the real problem.

Besides, Toby said, our statement was controversial as we had mentioned that the Presidential Decree 16 stopped trial of members of liberation war side for their alleged crimes, they can never be tried. It is obviously not said they have committed crimes, but some of them may have done. There are commentary and literature that suggests that crimes were committed on all sides. If you want to establish a fair process, then you have to bring all sides to be prosecuted. When I pointed this out, I have been told not to say it again.